সিয়ামুল হায়াত সৈকত’র একগুচ্ছ কবিতা

সিয়ামুল হায়াত সৈকত’র একগুচ্ছ কবিতা

বেহুলা

জীবনযাপন একবিংশ শহরের মতো
পিচঢালা শৈশব হাতপাখা হয়
পেয়ালায় জমে স্যুপের ঘ্রাণ
নাকবন্ধ ক্ষতি বেসামরিক সৈনিক যেনো!
পকেটের লাভজনক চোখ আছে
খুচরো প্রেসারে মাঝেমধ্যে ঘুমের ঔষধ কিনতে পাঠায়।
প্রেমিকার বাড়ি অপ্রেমিক বাসা বুণে
হাত চুপচাপ বসে, দ্বিধামেরু এক-
বাতাস বইলে একদিকে ভেসে যাক সমস্ত মন!

প্রশ্ন

কবিতার্কিক স্নেহ ভুলে প্রেমিকা হেঁটে চলে
দৈনিকের জামেলা, কাজের বাহানা আর…
ভালো থাকার প্রশ্ন করতে করতে বাহান্ন তাশের ঘর
এক জীবনে যত উদ্ভিদ প্রেম।
প্রেমিকা চেয়েছিল বাড়ি না হোক,
আদর হোক—ঠোঁট চুইয়ে ঘুম নেবে এলে জড়িয়ে রাখুক
আসলে সমসাময়িক প্রেমিক না হলে ক্রমাগত দূরে থাকতে হয়।

আমাদের বড় হয়ে যাওয়া

আপনি নিজেকে ভুলে গিয়েছেন বলে মনে করেন?
এমন স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে হৃদপিণ্ডের শব্দ শোনা যায়।
পার্কের হেলানো বেঞ্চ, হাসপাতালের চারতলা, সিএনজির শব্দ, সিনেমা হলের বিচ্ছিরি অন্ধকার— আর কি লাগে? সারাজীবনের প্রেমের জন্য অতোটুকুই তো চাই।
এরপর দীর্ঘতম যতিচিহ্ন : আড়ালে বাঁচতে শেখা
নিজেকে সঁপে দিব অন্ধ কোনো এক দৈত্যের কাছে।
আর বুকের কাছাকাছি প্রেম বইতে গেলে, নিঃশব্দে…
প্রেমিক ছিলাম না বলে অস্বীকার করবো সমস্তদিন!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *