হাসিদা মুন এর কবিতা

পুড়ে যায় তেরঙ্গা মখমল
 
ধুপকাঠির ধুঁয়ায় নেচে যায় – রাগ মালকোষ,
অনন্ত আধান চলে পিলপিল অনুভবে
জ্যান্তব ফুরসতের ফসলী আবাদে
লহরী লহরী জলের ঘূর্ণিতে
পীত মঞ্জুরি মুকুলিত হয় সুকোমল পেলবতায়…
 
হরতকি, বহেড়া , কাঠ বাদামের বনে
পায়ের নিচে ভাঙ্গে দক্ষিনা বাউরী বাতাস
তন্দ্রাঘোরে স্বপ্ন অলকায় ক্ষনিকের আহ্বানে
চিরতর মুখ ফেরাবে সূর্যস্নানে
বয়ে যায় পুড়ে যাওয়া আগুনের লেলিহানে
মধ্যচ্ছদায় দায়ভার গুনগুন করে দো্টানার সোমত্ত টানে
প্রপাতের এক মোহনার বিনাশনে আরেক প্রপাতের আগমন …
 
পাতাল খুঁড়ে যে জলপান চলে
জনম জনমের পথে পথে আজম্মকাল-
সেকি সবই অমৃত
না কিছু তার বিষে ভরা অমরাবিন্যাস
নিপুণ অমরার পুনঃ পুনঃ পরিস্ফুটনে পত্রপুট হয়ে ফুটে
পাংশু সংসার ,না জানা অভিপ্রায়ে দিক্বিদিক না জেনে
পতঙ্গ ঝাপে অভ্যস্ত হয়ে উঠে,
যদিওবা নাগেশ্বর মেহগনির ছায়াতলে ছায়াও ক্লান্ত হয়,
পরিশেষে নদের চাঁদ বেশে মহুয়ার নেশায়
বুঁদ হতে হতে চলে যায় অনন্তকালের দিকে ….
 
উপরের আকাশে আঁচল মেলে দিয়ে মরদেবী উড়ে বেড়ায়,
বাতাসের ভাঁজে চুলের ঘ্রাণে আকুল আবেশে যে তাঁর ঘ্রাণ পায়-
সে আর বলিবার অপেক্ষায় থাকেনা
এমন ক্ষণকালের আশ্বাসে
তবু কেন এতো ত্বরা?
কেনই পাগল পারা
তাবদ দৃশ্যাবলী দেখিবারে –
তবুও কেন উচাটন মন
প্রাণ হাতে বিষের গেলাস বিবসনে…
 
প্রাপ্তির বাস্তভিটায় পুদিনার ঝাড় ,
সবজেটে রঙেও তার লুকানো ঝাল্
পাতানো মায়াবী পাতায় সবুজের আকুতি
টেনে তোলে মোহনীয় সুগন্ধি,
মাতোয়ারা করে সুরা সুধায় সে ঝাল ভুলিয়ে দিয়ে
দহজিল নয়,
আগন্তক বিন্যস্ত হেরেমে
ময়ূরকণ্ঠী রঙা নীল কামনায়
পুড়ে যায়- তেরঙ্গা মখমল …
 
ও সে বুঝে নেয়- যেনো ব্যাধের জালে আটকা ডাহুক,
পা’য়ে যুগ যুগান্তরের বেড়ানোর শখ লূটায়
ডানার দাপটে পাখী মাটি ঝাপটায় বুনো নেশায়,
চায় আরো খানিকটা মাটি – মাটিতেই পুরে দিতে ….
 
 
 

Author: Moon

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *